• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

কিশোরগঞ্জে গাছ কাটার হিড়িক

Treeকিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের এস সিক্সটি ক্যানেলের দুধারে লাগানো সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ করেছেন উপকার ভোগী সমিতির সভাপতি কুলো চন্দ্র মেম্বার।
অভিযোগ ও সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপকার ভোগী সমিতির সেক্রেটারী আতাউর রহমান রাতের আধারে একের পর এক শাতাধিক মুল্যবান গাছ কেটে সাবার করেছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারী ১লাখ ৫০হাজার টাকা মূল্যের ৭টি ইউক্লিপটাস গাছ কেটে স্থানীয় করাত কলের মালিক তপন কুমার সরকারের কাছে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। গাছ কাটার বিষয় জানাজানি হলে কিশোরগঞ্জ উপজেলা ফরেষ্টার মুকুল মিয়া করাত কল থেকে ২০ সিএফটি গাছের গুড়ি উদ্ধার করে উক্ত বনায়ন কর্মসুচীর সভাপতি কুলো  চন্দ্র মেম্বারের জিম্মায় রাখে। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা জানান ফরেষ্টার মুকুল মিয়া জলজ্যান্ত ঘটনাটি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন। বনায়ন কর্মসুচী এলাকার সুধীর চন্দ্র (৩৬) জানান বাফলা থেকে বড়ভিটা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার বনায়ন কর্মসুচীর অর্ধেক কেটে বনভুমি উজাড় করেছে আতাউর রহমান। সমিতির সদস্য কর্ণধর (৪৮) দুঃখ করে বলেন আমরা গরীব সদস্যরা অনেক কষ্ট করে গাছগুলো লাগিয়েছি। গাছ বিক্রি করে এককালীন হয়তো একটা মোটা অংকের টাকা পাবো। সংসাারের অভাব কিছুটা হলেও লাঘব হবে কিন্তু বনদস্যু আতাউর রহমান ফরেষ্টার মুকুল মিয়ার সাথে আতাত করে আমাদের ও সরকারী সম্পদ আতœসাৎ করে চলছে। ওই এলাকার মুরব্বি আব্¦াস আলী (৬০) বলেন,গাছ খেকো আতাউর রহমানের নামে এর আগেও সরকারী গাছ কাটার অভিযোগে মামলা হয়েছিল কিন্তু বন কর্মকর্তার সাথে গভীর সম্পর্ক থাকাায় আবারও একই ঘটনার অবতারনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান সরকারী গাছ কাটার কথা স্বীকার করে দোষী ব্যক্তির শাস্তি দাবী করেন। বন কর্মকর্তা মুকুল মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি আতাউর রহমানের সাথে আতাতের কথা অস্বীকার করেন এবং বলেন ২০ সিএফ টি গাছের গুড়ি উদ্ধার হয়েছে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ